মাত্র বিশ বছরেই শুরু করেছিলেন অভিনয়। নানা ঘাত-প্রতিঘাত সয়ে পঞ্চাশ বছরের ক্যারিয়ারে দুইশোরও বেশি সিনেমা, টিভি শো, প্রযোজনা, রাজনীতি করা অমিতাভ বচ্চন আদতেই একটা ইন্ডাস্ট্রি। অথবা, মোর দ্যান ইন্ডাস্ট্রি!

লোকটির গলার মধ্যে কী যেন একটা বিষয় আছে। সেই ঐন্দ্রজালিক ব্যারিটোন গলার ভয়েসে এতটাই মজে গেলেন সত্যজিৎ রায়, তিনি ভাবলেন তার কোনো একটা সিনেমায় এই মানুষটিকে নিতেই হবে তাকে। 'শতরঞ্জ কি খিলাড়ি' সিনেমার জন্যে নিতে গিয়ে দেখলেন, এই ভদ্রলোকের করার মতন উপযুক্ত কোনো রোল নেই এই সিনেমাতে। তাও মানিকবাবু ভাবলেন, এই মানুষটি সিনেমায় অভিনয় না করলেও তাঁর কন্ঠ থাকুক এই সিনেমায়। সেই মানুষটি 'শতরঞ্জ কি খিলাড়ি'তে কন্ঠও দিলেন। কন্ঠ, অভিনয়, ফ্যাশন, পার্সোনালিটি সবকিছু মিলিয়ে তিনি বরাবরই এক অন্যরকম দ্যুতি ছড়িয়েছেন। এক অদৃশ্য আলোকবলয় সবসময়েই ছিলো তাকে ঘিরে। যেন এক ম্যাজিক।

আপনি যদি সিনেমা নিয়ে ছিঁটেফোঁটাও জেনে থাকেন, আপনি এই মানুষটিকে নিশ্চিতভাবে চিনবেন। তাকে চেনে না অথচ সিনেমা নিয়ে জানাশোনা আছে এরকম মানুষ উপমহাদেশে আছে কী না, ব্যাপক সন্দেহ। এই মানুষটির নাম ইনকিলাব শ্রীবাস্তব। আপনি হয়তো কিছুটা ধন্দে পড়ে গিয়েছেন। এই নামের কাউকে তো আপনি চেনেন না। এবার আরেকটু খোলাসা করি। 'ইনকিলাব' নামের এই মানুষটির বাবা ছিলেন হিন্দি ভাষার এক নামকরা কবি। হরিবংশ রায় বচ্চন। যদিও পরিবারের পদবী ছিলো শ্রীবাস্তব। কিন্তু হরিবংশ 'বচ্চন' ছদ্ম-পদবী দিয়েই লিখতেন তাঁর সব লেখা। তার বড় ছেলের নাম দেয়া হলো প্রথমে ইনকিলাব। এরপর অমিতাভ। সাথে পদবী বচ্চন। অমিতাভ বচ্চন। আমাদের কথাবার্তা এই মানুষটিকে নিয়েই যার নাম অমিতাভ বচ্চন, যে নামের অর্থ- যে আলো কখনো নেভেনা। এবার নিশ্চয়ই চিনতে পারছেন তাকে!

কিছু মানুষ নিয়ে লিখতে গেলে সত্যিকার ভাবেই বেগ পেতে হয়। সৃজিতের 'জাতিস্মর' এ রূপঙ্কর গেয়েছিলো- এ তুমি কেমন তুমি, চোখের তারায় আয়না ধরো! চোখের তারায় আয়না ধরা হয়তো যায়, কিন্তু গোটা আকাশ ধরা তো আকাশকুসুম কল্পনার মত এক বিষয়! মিঃ বচ্চন অথবা 'বিগ বি' অথবা 'বলিউডের শাহেনশাহ' এই মানুষটিকে নিয়ে এক লেখায় সবকিছু আনা তো দূরের কথা, ন্যূনতম কিছু আনা যেতে পারলেও, সে বিরাট প্রাপ্তি।

আগেই বলেছি, বাবা ছিলেন হিন্দি ভাষার বেশ নামকরা কবি। মা তেজি বচ্চন ছিলেন ফয়সালাবাদ এর এক শিখ-পাঞ্জাবী। তাদের দুই সন্তান। বড় ছেলে অমিতাভ। ছোট ছেলে অজিতাভ। অমিতাভের পড়াশোনা শুরু এলাহাবাদে। এলাহাবাদের জ্ঞান প্রবোধিনী স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন। এরপর বয়েজ হাই স্কুলে (বি এইচ এস) এ পড়াশোনা করেন। নৈনিতালের শেরউড কলেজে কলা বিভাগে পড়াশোনার পর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত কিরোরিমল কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক হন। পড়াশোনার পাশাপাশি মনের মধ্যে কোথাও যেন অভিনয়ের ভূত চেপে বসেছিলো গ্যাঁট হয়ে। মায়েরও ইচ্ছে ছিলো অভিনয়ের। মা পারেন নি। ছেলে যখন অভিনয় করতে চাইলেন, মা সবচেয়ে বেশি উৎসাহ দিলেন। মাত্র বিশ বছর বয়সেই অভিনেতা হওয়ার জন্যে বোম্বে চলে গেলেন অমিতাভ৷

যে সিনেমায় সর্বপ্রথম পর্দার সামনে এলেন, সে সিনেমার নাম- সাত হিন্দুস্তানি। এ সিনেমায় অসাধারণ অভিনয় করলেন। প্রথম সিনেমাতেই যেন জানান দিলেন, এখানে আমি মিডিওকার কিছু হতে আসিনি। যা করবো, ক্লাস হবে। পিওর ক্লাস। সিনেমাটা দর্শক টানতে পারেনি খুব একটা। কিন্তু অমিতাভের অসাধারণ অভিনয় তাকে শ্রেষ্ঠ নতুন অভিনেতা হিসেবে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এনে দিলো। রাজেশ খান্নার সঙ্গে এরপর করলেন 'আনন্দ' । এ সিনেমা বক্স অফিসে হিট তো করলোই, সে সাথে দর্শক আরেকবার মুগ্ধ হলো অমিতাভ-জাদু'তে। এই সিনেমার জন্যে বচ্চন ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেতার পুরস্কার পান। এরপর পরওয়ানা, রেশমা অর শেরা, বোম্বে টু গোয়া সহ আরো কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেন। কিন্তু অধিকাংশই ফ্লপ হয়ে যায়। তবে সব সিনেমাতেই একটি জিনিস লক্ষ্য করা যেতো, অমিতাভের অভিনয় সব সিনেমাতেই অসাধারণ। সিনেমা গোল্লায় যাক, অমিতাভ তাঁর বেস্ট কাজ দিয়ে গেছেন পুরো সময়েই। এক চুল ছাড় দেন নি কোনোদিন।

এরপরেই প্রকাশ মেহরার সেই বিখ্যাত সিনেমা- জঞ্জীর। যে সিনেমায় ইনস্পেক্টর বিজয় খান্না হয়ে তিনি কাঁপিয়ে দিলেন সবকিছুকে। অসাধারণ অভিনয়, বক্স অফিস হিট...অমিতাভ জ্বরে কাঁপা-কাঁপি শুরু হলো বলিউডের। বলিউডের দর্শকেরা তো পাগলাটে। যাকে ভালোবাসে, সব উজার করে ভালোবাসে। সেটাই হলো অমিতাভের ক্ষেত্রে। এরপর আরো কিছু সিনেমা করলেন তিনি। তবে লিড কাস্টে না। সাপোর্টিং কাস্টে। সেগুলো খুব একটা নাম কামায়নি। সে সিনেমাগুলোতে স্ক্রিনটাইমও কম ছিলো বিগ বি'র। তবে হয়তো সেগুলো ছিলো বড়সড় কোনো বিস্ফোরণ আসার পূর্বাভাস। বিস্ফোরণ এলোও, দুটি সিনেমার মোড়কে।

সে দুটি সিনেমা বলতে গেলে বলিউড নামক রত্নভান্ডারের সবচেয়ে দামী দুটি রত্ন- দিওয়ার ও শোলে। এই দুই সিনেমাতেই তিনি চুটিয়ে অভিনয় করলেন। শোলে'কে ধরা হয় বলিউডেরই সবচেয়ে ব্যবসাসফল ছবি। যে সিনেমা আসলে সিনেমা না, এক টুকরো কাল্ট। এই সিনেমায় তুখোড় অভিনয় করে অমিতাভ ততদিনে হয়ে গিয়েছেন বলিউড পাড়ার সবচেয়ে শক্তিমান মুখ।

'শোলে' সিনেমায় অমিতাভ বচ্চন!

কাভি কাভি, অমর আকবর অ্যান্থনি, ডন, দোস্তানা, শক্তি, শান, কুলি সহ আরো কিছু কিছু সিনেমা তিনি করেন। সেগুলো ব্যবসাসফলও হয়। সে সাথে তাঁর এক্সপেরিমেন্টাল কাজও চলতে থাকে। প্রত্যেক সিনেমাতেই তার ডেডিকেশন থাকতো চূড়ান্ত পর্যায়ে। এক্ষেত্রে 'কুলি' সিনেমার নাম বিশেষভাবে বলতে হবে। সে গল্পে পরে আসবো। অমিতাভ বচ্চন তখন ক্রমশ উপরের দিকে উঠছেন। সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে একদম উপরে উঠে যাচ্ছেন তিনি। সেরকম এক সময়ে তাঁর এরকম ঈর্ষণীয়,  বৈচিত্র্যময় ও দর্শকনন্দিত কাজের জন্যে বিখ্যাত ফরাসি পরিচালক ফ্রাসোয়া ত্রুফো তাকে "ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি" খেতাব দিয়ে দিলেন! দেবেন নাই বা কেন? অমিতাভ বচ্চন যে তখন একাই হাল ধরে আছেন ইন্ডাস্ট্রির!

এরপর সময় গড়িয়েছে। বয়স বেড়েছে। তিনিও বুঝেছেন এখন আর এ্যাকশন ফিল্মে প্রোটাগনিস্ট রোলের বয়স নেই। তিনি নিজেকে ভেঙ্গেছেন। আবার গড়েছেন। অভিনয় থেকে সাময়িক অব্যহতি নিয়েছেন।  নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ABCL গড়েছেন। সিনেমায় অর্থলগ্নি করেছেন। সে টাকা নিয়ে আবার ঝামেলায়ও পড়েছেন। টিভি পর্দায় এসেছেন। 'কৌন বানেগা ক্রোড়পতি'র সঞ্চালক হয়েছেন। কিন্তু সন্তুষ্ট হচ্ছিলেন না। কোথায় যেন একটা খচখচানি থেকেই যাচ্ছিলো। মাথার সেই অভিনয়ের ভূত  নামছিলোনা মোটেও। আবার এলেন ক্যামেরার সামনে। অভিনয় করলেন যশ চোপড়ার 'মোহাব্বতে' সিনেমায়। শাহেনশাহ যেন আবার ফিরলেন ইন্ডাস্ট্রিতে। এরপর রিস্তা, কাভি খুশি কাভি গম, ভগবান, সরকার, কাভি আলবিদা না কেহনা, ব্ল্যাক, চিনি কম, দ্য লাস্ট লিয়ার... নানারকম সিনেমাতে অভিনয় করলেন। অমিতাভ বচ্চন বুঝাতে চাইলেন যেন, বয়স হয়তো বেড়েছে। এখনো আমি স্টার। ভুল বলা হলো, স্টার না, সুপারস্টার। মোর দ্যান স্টার। এছাড়াও বিভিন্ন চটকদার সিনেমাতেও যুক্ত হলেন। ভূতনাথ, ভূতনাথ রিটার্নস, শামিতাভ, গুলাবো সিতাবো... সেগুলোতেও তিনি অনবদ্য। পা, পিঙ্ক, পিকু এই সিনেমাগুলোতেও যেন দেখালেন রুদ্ধশ্বাস সব ম্যাজিক।

'কৌন বানেগা ক্রোড়পতি' টিভি শো এর হোস্টও ছিলেন তিনি 

'কুলি' সিনেমা নিয়ে গল্প জমিয়ে রেখেছি। অমিতাভ বচ্চনের ডেডিকেশন লেভেল এই গল্প থেকে বোঝা যাবে। কুলি সিনেমার স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী সহ-অভিনেতা পুনিত ইসারের সঙ্গে মারামারি করছিলেন তিনি। সীন যাতে ন্যাচারাল হয়, তাই তিনি কোনো স্টান্টম্যানকেও নেননি সাথে। এরকম মারামারির এক পর্যায়ে টেবিল থেকে মাটিতে তাকে আছড়ে পড়তে হবে। তিনি টেবিলে আছড়ে পড়লেনও, কিন্তু পড়লেন বেকায়দাভাবে। টেবিলের কোণা লেগে তার প্লীহা ফুটো হয়ে গেলো সাথে সাথেই। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে নিয়ে যাওয়া হলো হাসপাতালে। প্লীহা কেটে বাদ দিতে হলো তখন। বেশ জটিল এক অস্ত্রোপচার করতে হলো।

কয়েক মাস হাসপাতালে ছিলেন তিনি। মানুষজন প্রায়ই ভীড় করতো হাসপাতালের সামনে। মন্দিরে মন্দিরে পূজাও দেয়া হতো তাকে স্মরণ করে। যেদিন তিনি সুস্থ হলেন, সেদিন হাসপাতালের সামনে সে কী বিশাল ভীড়! মানুষজনের ভালোবাসা এমনই তাকে নিয়ে। ঘটলো আরেকটি মজার ঘটনাও। 'কুলি' সিনেমার স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী সিনেমার শেষ দৃশ্যে অমিতাভ বচ্চনের মরে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু যে মানুষ বাস্তব জীবনেই মৃত্যুর কোল থেকে বেঁচে ফিরেছেন, তাকে সিনেমার গল্পে মারবে এমন সাধ্য কার! সিনেমার স্ক্রিপ্ট চেঞ্জ করা হলো। অমিতাভ বচ্চন বেঁচে রইলেন সিনেমার পর্দাতেও।

অমিতাভের ডেডিকেশন লেভেল এরকমই! এমনি এমনি মানুষ তাকে ভালোবাসে না। কেউ কিছু এমনি দেয় না। আদায় করে নিতে হয়। ভালোবাসাও। সেই ভালোবাসাও তিনি এভাবেই আদায় করেছেন।

মাঝখানে যুক্ত হয়েছিলেন রাজনীতির সাথেও। নির্বাচিতও হয়েছিলেন। পরে নিজেই বিরক্ত হয়ে রাজনীতিকে 'নর্দমা' বলে চলে এসেছেন। এরপর পরবর্তীতে আবার অবশ্য যুক্ত হয়েছিলেন রাজনীতির সাথে। বিভিন্ন বিতর্কের সাথেও যুক্ত করেছেন তাঁর নাম। সেগুলো নিয়ে আরেকদিন বলা যাবে হয়তো। আজ যেহেতু 'সেলুলয়েডের অমিতাভ' আমাদের মূল প্রসঙ্গ, আমরা সেদিকেই থাকি। কক্ষপথ থেকে সরে যেতে হবেনা তাহলে।

কলকাতার প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী দুইজন মানুষকে খুব সমীহ করেন। তিনি তার আত্মজীবনী 'বুম্বা, শট রেডি'তে তা বলেও গিয়েছেন। একজন অমিতাভ বচ্চন ও আরেকজন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। অমিতাভ বচ্চনকে দেখেই প্রসেনজিৎ শিখেছিলেন, বয়স বাড়ার সাথে সাথে নিজেকে ভাঙ্গতে হয়। নাহলে স্রোতের সাথে টিকে থাকা যায় না। অটোগ্রাফ, বাইশে শ্রাবণ, জাতিস্মর এ যে প্রসেনজিৎ কে আমরা দেখি সেগুলোর পেছনে অনুপ্রেরণা কিন্তু সেই চিনি কম, ব্ল্যাক, মোহাব্বতে'র মতন সিনেমা। অনুপ্রেরণা সেই জলদগম্ভীর কন্ঠের দীর্ঘদেহী মানুষ অমিতাভ বচ্চন।

মানুষটির বয়স পঁচাত্তর পেরিয়েছে, তাও কয়েক বছর হয়ে গেলো। এ বয়সে মানুষ সবকিছু গুটিয়ে নেয়। বৃত্তবন্দী হয়ে যায়। 'বিগ বি' যেন এখানেই স্বতন্ত্র। প্রতিদিন নিয়ম করে শ্যুটিং করছেন, প্রমোশনে যাচ্ছেন, স্ক্রিপ্ট পড়ছেন, বই পড়ছেন, শরীরচর্চা করছেন, পরিবারকে সময় দিচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়াতেও অ্যাকটিভ থাকছেন। সম্প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরেও তিনি ভক্ত-সমর্থকদের সাথে যোগাযোগ কমাননি। সরব ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এরকম অসাধারণ প্রাণশক্তি যার, তাকে আটকাবে সাধ্যটাও বা আছে কার? বয়স্ক মেকআপের আড়ালে তাই এখনও তিনি যেন কুড়ি বছরের সেই তরুণ, যে তরুণ কলকাতার শিপিং কোম্পানির চাকরী ছেড়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে চলে গিয়েছিলেন বোম্বাইয়ে, অভিনয় করবেন বলে। ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয় করতে করতে একটা সময়ে এসে যিনি নিজেই হয়ে গিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রি। বলিউড বলতে যাকে ঘিরেই এখনো আবর্তিত হয় সবকিছু। সবার উপরে বটবৃক্ষের মতন যিনি এখনো দিয়ে যাচ্ছেন ছায়া।

গোটা পরিবার নিয়ে বলিউডের 'বিগ বি' 

সেই অত্যাশ্চর্য মানুষটির আজ জন্মদিন। শুভ জন্মদিন, ইনকিলাব শ্রীবাস্তব। শতায়ু হোন, এটাই ভক্ত হিসেবে আমাদের প্রার্থনা। আপনার সিনেমায় হাততালির জোয়ার ক্রমাগত বাড়তেই থাকুক, কখনো না থামুক। 

ভালোবাসা জানবেন।


শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা