হলফ করে বলা যায়, বলিউডে পিরিয়ড ফিল্মের এমন দুর্দান্ত নিদর্শন আর কেউ দেখেনি আগে। কি রিসার্চ, কি এক্সিকিউশন, কি টেকনিক্যাল এক্সিলেন্স...সুজিত সরকার খুব স্পষ্টভাবেই দেখিয়ে দিয়েছেন 'পিরিয়ড ফিল্ম' কেমন হওয়া উচিত। এবং এবার থেকে যারাই কোনো পিরিয়ড ফিল্ম বানাবেন কিংবা 'ইন্ডিয়ান জিঙ্গোইজম'কে ফ্রন্টলাইনে রেখে কোনো সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা করবেন, সে নির্মাতার জন্যে বেঞ্চমার্ক হিসেবে অবধারিতভাবেই 'সরদার উধম' আসবে সামনে...

'সরদার উধম' নিয়ে যখন লিখতে বসছি, তখন মগজে রংপুর এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার স্মৃতি টাটকা। স্মৃতির মাটিতে শুধু রংপুরই নয়, খোলামকুচির মতন কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম কিংবা খুলনাও আসে ক্রমশ। নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করি, সংখ্যাগুরু হলেই কি পিশাচ হতে হয়? আর সংখ্যালঘু হলেই কেঁচো? কাঁটাতারের এপারে-ওপারের বাতাসজুড়ে 'সম্প্রীতি'র ফেনিয়ে ওঠা আবেগের ঠিক নিচের মাটিতেই আগুনে পোড়ে জীবন। কুঁকড়ে যায় বিশ্বাস। আশা। আমরা ক্রমশ বুঝতে পারি, এ পৃথিবী সংখ্যাগুরুর উঠোন। বাকি সব, বাকি সবাই উলুখাগড়া। নিতান্তই মূল্যহীন।

'সরদার উধম' এর গল্পেও ফিরে ফিরে আসে সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু। সংখ্যাগুরুর দাপট। সংখ্যালঘুর শঙ্কা। এ সিনেমার সংখ্যাগুরুরা বিদেশি। ব্যবসা করার নামে উপমহাদেশের মানচিত্রে ঢুকে যারা দুইশো বছর ধরে এখানের মাটিতে খোদাই করেছে একের পর এক ক্ষতচিহ্ন। বুঝিয়েছে সেই প্রাচীন অমোঘ উক্তি- সংখ্যাগুরু হলেই পিশাচ হতে হয়। পৈশাচিকতা তারা লটকে দিয়েছে সর্বত্র। কৃত্রিম দূর্ভিক্ষ তৈরী করে লাখ লাখ মানুষ মেরেছে। যুদ্ধের নামে গুলির সামনে দাঁড় করিয়ে তেলাপোকার মতন পিষে মেরেছে নিরস্ত্র সব প্রাণীকে। দাঁতে দাঁত চেপে এসব অনাচার তবুও নাহয় মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু মেনে নেওয়া গেলো না ১৯১৯ এর ১৩ই এপ্রিল। যেদিন 'বর্বরতা'র নতুন এক সংজ্ঞা দেখে ভীষন ভয়ে শিউরে উঠেছিলো উপমহাদেশের 'সংখ্যালঘু' মানুষ। 

সেদিন পাঞ্জাবের অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগ এ হাজির হয়েছিলো অজস্র মানুষ। ভারতের মুক্তি আন্দোলনের প্রথম সারির দুই নেতা নেতা ডঃ সাইফুদ্দিন কিচলু এবং ডঃ সত্য পাল কে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের প্রতিবাদে নিরীহ ছেলে-বুড়ো-নারীরা একাট্টা হয়েছিলেন এখানে। উদ্দেশ্য- শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। তবে সেটাও একমাত্র উদ্দেশ্য না। শিখ ও হিন্দুদের 'বৈশাখী' উৎসবও ছিলো সেদিন৷ কেউ কেউ এসেছিলেন সেই উৎসবে অংশ নিতে। সবাই নিরস্ত্র। সবাই নিরীহ। মহাত্মা গান্ধীর আদেশ মেনে তারা শুধু অহিংস প্রতিবাদই করতে চেয়েছিলেন। সেজন্যেই আসা। 

আচমকা সে সমাবেশের পেছনে মৃত্যুদূতের মতন উপস্থিত হন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আর ই এইচ ডায়ার। উপরমহলের হুকুম মেনে মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে হাজির হন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জালিয়ানওয়ালাবাগের তিন দিকেই দালানকোঠা। একদিকে বের হওয়ার পথ। সেই পথ ডায়ার সৈন্য দিয়ে আটকে দেন। গুলি করার আদেশ হয়। একসাথে তারস্বরে গর্জে ওঠে সমস্ত রাইফেল। মেশিনগান। আগ্নেয়াস্ত্র। জালিয়ানওয়ালাবাগ এর সেই অপরিসর একখন্ড জমিতে হঠাৎই নেমে আসে নরকের কালো, ভারী চাদর। এরপর নিচ্ছিদ্র আঁধার। নিঃসীম স্তব্ধতা। 

এই গনহত্যায় হতাহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায় না৷ তবে ধারণা করা হয়, ৫০০ থেকে ১০০০ মানুষ মারা গিয়েছিলেন সেদিন। আহত হয়েছিলেন আরো অজস্র মানুষ। দুধের শিশু থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ...ধাতব বুলেট কাউকে রেয়াত করেনি। কাউকে বৈষম্য করেনি। বিদ্ধ করেছে সবাইকেই। পরিনত করেছে অকেজো হৃৎপিণ্ডের ঠান্ডা লাশে।

এই গনহত্যা শেষে সৈন্যরা যখন চলে যাচ্ছে,  জালিয়ানওয়ালাবাগ এর মাটি তখন আর মাটি নেই। থরে থরে লাশ ও জমাটি রক্তে পুরো এলাকা রূপ নিয়েছে কসাইখানায়। রক্তস্রোতে। দেয়ালে থকথকে মগজ, রক্ত। মাটিতে বিচ্যুত হওয়া হাত, পা, মাথা...নরক এবং নরক। এ পৈশাচিক ঘটনার খবরে রাতারাতি স্তব্ধ হয় পুরো উপমহাদেশ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বর্জন করেন তাঁর 'নাইট' খেতাব৷ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অজস্র মহল নিজ নিজ ক্ষেত্রে দেখান অবিরল প্রতিক্রিয়া। এই ঘটনা পালটে দেয় একজন বিশেষ মানুষের জীবনও। যে মানুষটির নাম- উধম সিং।

জালিয়ানওয়ালাবাগ এর এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে মূল আদেশ যার ছিলো, সেই মাইকেল ও ডয়ার ছিলেন তখন পাঞ্জাবের লেফটেন্যান্ট-গভর্নর। তিনি ভারতবাসীকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন। ভয় পাওয়াতে চেয়েছিলেন। তিনি জানতেন, ভয়ের চেয়ে বড় কোনো দাওয়াই নেই। ভয় দিয়েই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সব। এ গনহত্যার নির্দেশ দেওয়ার পেছনে এটিই প্রধানতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। নিরীহ মানুষের মৃত্যুর খবরে দেঁতোহাসি হাসার পাশাপাশি এই দুপেয়ে পিশাচ এই গনহত্যাকে বহুবার, বহু আলোচনায় বৈধতা দেয়ার চেষ্টাও চালান। তিনি আমৃত্যু নগ্ন সমর্থন দিয়ে যান এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ডকে। বিন্দুমাত্র অনুশোচনাবোধ, ন্যূনতম শোকপ্রকাশের বিড়ম্বনাতেও কখনো যান না এই মানুষরূপী দানব। 

এটুকু ইতিহাসের অংশ। 'সরদার উধম' এর গল্প এই প্রেক্ষাপট থেকেই শুরু। সিনেমার প্রোটাগনিস্ট উধম সিং বিপ্লবী। ভগত সিং এর সহবিপ্লবী এই মানুষটি ভগত সিং মারা যাওয়ার পরে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। একটাই ইচ্ছে তাঁর। জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যার পেছনে দায়ী যে মাইকেল ও ডয়ার, তাকে নিজহাতে খুন করবেন তিনি। সেজন্যেই ভিন্ন ভিন্ন নামে, ভিন্ন ছদ্মবেশে অজস্র দেশ পাড়ি দিয়ে বহুবার ইংল্যান্ডে যান তিনি৷ একুশ বছর ধরে চলতে থাকে তার এই ছুটোছুটি, ক্লান্তিহীন যাত্রা। এবং শেষপর্যন্ত তিনি সফল হন। ভরা সমাবেশে, সবার সামনে নিজহাতে মাইকেল ও ডয়ার'কে খুন করেন তিনি। 

মাইকেল ও ডয়ার'কে তিনি যে খুন করলেন, সেটি সিনেমার প্রথমাংশেই জেনে যাবে দর্শক। মূলত গল্প শুরু হয় এই ঘটনার পর থেকেই। নন-লিনিয়ার ন্যারেশনে চলতে থাকা এ গল্পে উধম সিং এর অতীতের গল্প যেমন ফ্ল্যাশব্যাকের মতন আসে পর্দায়, যুগপৎভাবে আসে মাইকেল ও ডয়ারের খুনের পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় জেরা-কারাগার-নির্যাতনের অংশও। গল্প কখনো ছুটে যায় ১৯১৯ এ। কখনো ১৯৩১ এ। কখনো ১৯৪০ এ। আনকনভেনশনাল এক ন্যারেশন স্টাইলে 'উধম সিং' নামের এক বিপ্লবীর গল্প বলে যান নির্মাতা সুজিত সরকার।

'উধম সিং' চরিত্রে ভিকি কৌশল ছিলেন অনবদ্য! 

সিনেমা শুরুর পরমুহূর্ত থেকেই এক বিস্ময়বোধে আক্রান্ত হই, যা বজায় ছিলো শেষতক। সে বিস্ময়ের নাম- সিনেমার আন্তজার্তিক আবহ। 'সরদার উধম' দেখে কোনো অংশেই মনে হয়নি, এটা বলিউডের সিনেমা। বরং হলিউডের কোনো সিনেমা ভেবেই ভ্রম হচ্ছিলো বারবার। কি কালার টোন, কি সিনেম্যাটোগ্রাফী, কি ক্যামেরার ফ্রেমিং, কি ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর...এরকম টপনচ কাজ শেষ কবে দেখেছি বলিউডে, মনে করতে গেলে বেগ পেতে হবে। বলিউডের এ বছরের মানহীন সিনেমাগুলোর দুর্দশা দেখে বিস্তর সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। তাদের মুখে কুলুপ এঁটে দেয়ার জন্যেই যেন 'সরদার উধম' এর আবির্ভাব। 

১৯১৯, ১৯৩১, ১৯৪০...এই সালগুলোতে ভারত কিংবা ইংল্যান্ডের  রাস্তাঘাট, যানবাহন, মানুষের পোশাক, দালানকোঠা... এসব পুনর্নির্মাণ করতে যে অমানুষিক রিসার্চের দরকার, তা তো বর্ণনাতীত। সেসব কাজ যেরকম অসাধারণ পেশাদারিত্বের সাথে করেছে গোটা টীম, 'অসাধারণ' বললেও কম বলা হবে। ডিওপি অভীক মুখার্জি, প্রোডাকশন ডিজাইনার মানসি ধ্রুভ এবং ইন্টারন্যাশনাল প্রোডাকশন ডিজাইনার দিমিত্রি মালিচ যেভাবে একেকটি সময়কে হুবহু তুলে নিয়ে এসেছেন পর্দায়, তা দেখলে যদি চক্ষু চড়কগাছ হয়, তা আবেগের অতিশয়োক্তি মনে হবে না মোটেও। 

সেট ডিজাইন, সিনেম্যাটোগ্রাফী, কালার টোন ছিলো অনবদ্য! 

ফিরি অভিনয়ে। এ সিনেমার প্রোটাগনিস্ট 'উধম সিং' চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব প্রথমে ইরফান খান'কে দেয়া হয়। শারিরীক অসুস্থতার জন্যে তিনি সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। পরবর্তীতে এ চরিত্রে অভিনয় করতে এসে 'ভিকি কৌশল' যে অভিনয় করলেন, তা সিনেমাতেই দ্রষ্টব্য। চোখেমুখে অব্যক্ত জিঘাংসা, চাপা ক্রোধ কিংবা বুনো উল্লাস ফুটিয়ে তুলতে যে পরিমাণ অত্যাশ্চর্য অভিনয় করা দরকার, তিনি সেটিই করেছেন। কোনো অংশেই খামতি লাগেনি অভিনয়ে। 'অক্টোবর'খ্যাত বানিতা সিন্ধুও ছোটোখাটো কিছু দৃশ্যে দারুণ অভিনয় করলেন। অমল পরাশর, স্টিফেন হোগান, কৃস্টি অ্যাভারটনও তাদের নিজ নিজ চরিত্রের দাবি মিটিয়েছেন ঠিকঠাক। অভিনয়ে ভিকি কৌশলের 'ওয়ান ম্যান শো' এর পাশাপাশি সাপোর্টিং কাস্ট যারা রইলেন, কারো অভিনয়ই 'জড়ভরত'জাতীয় নয়। জীবন্ত অভিনয় দিয়ে 'সরদার উধম' এর গল্পকে বেশ অন্য এক মাত্রায় পৌঁছে দেয়ার যে অনবদ্য দায়িত্ব, তা দারুণভাবেই সামলেছেন তারা। 

উধম সিং! 

তবে সবকিছু ছাপিয়ে এই সিনেমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক, সিনেমার ন্যারেশন স্টাইল। যদিও অনেকেরই এই ন্যারেশন স্টাইল ভালো লাগবে না। সুজিত সরকারের সিনেমাগুলোতে যেমন স্লোবার্ণ ট্রিটমেন্টের এক বিষয় থাকে, যেটি আমরা 'অক্টোবর' এর ক্ষেত্রে বেশ ভালোভাবে লক্ষ্য করেছি, সেটি 'সরদার উধম'এও প্রবল। দুই ঘন্টা বেয়াল্লিশ মিনিটের এ সিনেমা দর্শকের বেশ ভালোই ধৈর্য-পরীক্ষা নেবে। পাশাপাশি যে ন্যারেশন স্টাইল, সেটিও আন-অর্থোডক্স হওয়ায় অনেকের তৃপ্তি আসবে না। নন-লিনিয়ার গল্প হওয়ায় মাঝেমধ্যেই গল্প এখান থেকে ওখানে ছুটে যাবে, একটু মনোযোগ হারালেই তাই গল্পের মহাসড়ক থেকে ছিটকে বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। 

এরপরেই নিষ্পৃহ ন্যারেশন। ভারতে 'জিঙ্গোইজম' জনরার যেসব সিনেমা হয়, সেখানে প্রোটাগনিস্টকে 'অকৃত্রিম দেশপ্রেমিক' দেখানোর এক দায় থাকে নির্মাতার। বেশ ক্লিশে কিছু ড্রামা, রাশভারী কিছু ডায়লগ, টিপিক্যাল সব ইমোশনাল স্টোরি দিয়ে প্রোটাগনিস্ট এর 'দেশভক্তি'র চূড়ান্ত করা হয় সিনেমাগুলোতে। ঠিক এই পর্যায়ে এসেই 'সরদার উধম' বলে ভিন্ন পথের গল্প। ঠিক এখানে এসেই এ চলচ্চিত্র আচমকা হয়ে যায় অন্য পথের পথিক।

নির্মাতা সুজিত সরকার সহ বাকি কুশলীরা! 

গল্প কারো পক্ষে বলা যায়, বিপক্ষেও বলা যায়। কিন্তু নিরপেক্ষ থেকে মাঝরাস্তা দিয়ে হেঁটে গল্প বলা বেশ কঠিন। বিশেষ করে উপমহাদেশে। তাও দেশপ্রেম নিয়ে!  সুজিত সরকার ঠিক এই কাজটিই করেন। তিনি দর্শকের সন্তুষ্টি কিংবা অসন্তুষ্টি নিয়ে ভাবেন না৷ কিংবা একটি আবেগঘন গল্প বলে দর্শককে উত্তেজিত করা নিয়েও বাড়াবাড়ি উদ্বেগ দেখান না। তিনি গল্প বলে যান তার মত করে। এবার এই গল্প দেখে কোনো দর্শক কাঁদবে, নাকি ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকবে , নাকি হো হো করে হাসবে...সেটি দর্শকের বিবেচনা৷ কোনো কিছু গিলিয়ে দেয়া নয়, এ সিনেমা বরং নিজের মস্তিষ্ককে ব্যবহার করারই তাগিদ দেয় দর্শককে। 

হলফ করে বলা যায়, বলিউডে পিরিয়ড ফিল্মের এমন দুর্দান্ত নিদর্শন আর কেউ দেখেনি আগে। কি রিসার্চ, কি এক্সিকিউশন, কি টেকনিক্যাল এক্সিলেন্স...সুজিত সরকার খুব স্পষ্টভাবেই দেখিয়ে দিয়েছেন 'পিরিয়ড ফিল্ম' কেমন হওয়া উচিত। এবং এবার থেকে যারাই কোনো পিরিয়ড ফিল্ম বানাবেন কিংবা 'ইন্ডিয়ান জিঙ্গোইজম'কে ফ্রন্টলাইনে রেখে কোনো সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা করবেন, সে নির্মাতার জন্যে বেঞ্চমার্ক হিসেবে অবধারিতভাবেই 'সরদার উধম' আসবে সামনে। বলিউডের 'পিরিয়ড ফিল্ম'কে যেভাবে নেক্সট লেভেলে পৌঁছে দিলেন সুজিত সরকার, বাকি নির্মাতারা এই ক্লাস কিভাবে ধরে রাখবেন, বা, আদৌ পারবেন কী না, মূল আলোচনা এখন থাকবে সেদিকেই। 

 


শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা