মঞ্চে আসছে হায়াও মিয়াজাকির এনিমেটেড মাস্টারপিস “স্পিরিটেড অ্যাওয়ে”, নির্দেশনায় বিখ্যাত ইংরেজ মঞ্চ নির্দেশক-নাট্যকার জন কেয়ার্ড। কিংবদন্তী জাপানী নির্মাতা মিয়াজাকির সুররিয়াল এনিমেটেড জগত প্রথমবারের মতো দেখা যাবে মঞ্চে...

মঞ্চে আসছে হায়াও মিয়াজাকির এনিমেটেড মাস্টারপিস “স্পিরিটেড অ্যাওয়ে”, নির্দেশনায় বিখ্যাত ইংরেজ মঞ্চ নির্দেশক-নাট্যকার জন কেয়ার্ড। কিংবদন্তী জাপানী নির্মাতা মিয়াজাকির সুররিয়াল এনিমেটেড জগত প্রথমবারের মতো দেখা যাবে মঞ্চে। বেস্ট এনিমেটেড ফিচার ক্যাটাগরিতে ২০০৩ সালে অস্কার সহ দর্শক-সমালোচক প্রিয় জিবলি স্টুডিওর ক্লাসিক এই এনিমেশনের প্রিমিয়ার হতে পারে টোকিওতে, ২০২২ সালের শুরুর দিকে। 

স্পিরিটেড অ্যাওয়ে'র পোস্টার

পুরো আয়োজনটিতে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে পাশে থাকবে মিয়াজাকির স্টুডিও জিবলি। জাপানী বিনোদন জগতের জায়ান্ট তোহো এটির প্রযোজনা করবে। চিত্রনাট্য আর নির্দেশনার দায়িত্বে থাকবেন আন্তর্জাতিক নাট্যজগতের গুণীজন, টনি অ্যাওয়ার্ড- অলিভিয়ের অ্যাওয়ার্ড জয়ী জন কেয়ার্ড। সাধারণত স্টুডিও জিবলি এই ধরনের প্রজেক্টে আগ্রহী থাকেনা, এবারই প্রথমবারের মতো তারা শিল্পের এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে রূপান্তরের এই যজ্ঞে পূর্ণ সমর্থন দেয়ার কথা জানিয়েছে। 

মিয়াজাকির দীর্ঘদিনের সহকর্মী তোশিও সুজুকি জানান, “হায়াও আর আমি, দুজনের কাছেই স্পিরিটেড অ্যাওয়ে নিয়ে জনের চিন্তা-ভাবনা-দূরদর্শিতা দারূণ মনে হয়েছে, আমাদের মনে হয়েছে জনই এর জন্য উপযুক্ত আর আমরাও তার উপর ভরসা রাখতে পারি। “স্পিরিটেড অ্যাওয়ে”-র মঞ্চরূপ দেখার জন্য আমি অধীর অপেক্ষায়!

অন্যদিকে ইংরেজ নাট্যকার-নির্দেশক জন কেয়ার্ডও দারূন উচ্ছ্বসিত। তিনি জানান, “  স্পিরিটেড অ্যাওয়ের মঞ্চরূপের দায়িত্ব পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমি মনে করি, মিয়াজাকি বিশ্ব চলচ্চিত্র এবং এনিমেশন জগতের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিত্ব।”

স্পিরিটেড অ্যাওয়ে'র একটি দৃশ্য

২০০১ সালে মুক্তি পাওয়ার পরপরই বিশ্বজুড়ে স্পিরিটেড অ্যাওয়ে প্রশংসিত হয় এর চোখ ধাঁধানো এনিমেশন আর দার্শনিক গুরুত্বের কারণে। সব বয়সের সব মানুষের পছন্দের এই এনিমেশন ফিল্ম তুলে আনে ৩৫৫ মিলিওন ডলার। অনেকের মতে, মিয়াজাকির এই এনিমেটেড মাস্টারপিসের কারণে হাতে আঁকা জাপানী এনিমেশনের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের পথ সহজ হয়ে যায়। হাতে আঁকা একমাত্র জাপানী এনিমেটেড চলচ্চিত্র হিসাবে অস্কার জেতা এই মাস্টারপিস ২০১৭ সালে বিবিসি পরিচালিত বিশ্বের ১৭৭ জন চলচ্চিত্র সমালোচকের রায়ে “২১ শতকের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র”-এর তালিকায় ৪ নম্বর স্থান দখল করে।


শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা